ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগে
নিজস্ব প্রতিবেদক :ফ্যাসিস সরকার আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত ভান্ডারীয়ার গৌরিপুর ইউনিয়ন ০২ নং ওয়ার্ডের খলিলুর রহমান সিপাহীর ছেলে জাকির হোসেন শান্ত, (৩৭) ঢাকায় কাফরুল ও ভাষানটেক এলাকায় চাঁদাবাজি চালিয়ে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তার চাঁদাবাজির আগ্রাসনে এলাকার সাধারণ মানুষ ভীষণভাবে ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।
এলাকাবাসী বলেন গত কিছুদিন ধরে জাকির হোসেন শান্ত নামের এই ব্যক্তি বিভিন্ন ব্যবসায়ী এবং প্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদা দাবি করে আসছে। চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে ফোনে প্রাণনাশের হুমকি দেন। এলাকাবাসীর তর্থ্য মতে বিগত সময়ে ফ্যাসিস আওয়ামীলিগ সরকার এর নেতা হিসেবে তার চাঁদাবাজির প্রসার ঘটে, বর্তমানে সে নিজেকে বিএনপির নেতা হিসেবে দাবি করে চাঁদাবাজি চালাচ্ছে। তার এই পরিচয় পরিবর্তনের মাধ্যমে এলাকাবাসী বিভ্রান্ত হয়ে পড়েছে এবং তিনি স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীদের সম্মানহানি করার চেষ্টা করছেন।
জানা যায়, জাকির হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে ২০১৮ সালের ৫ জুলাই ভাষানটেক থানায় মাদক নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৯০-এর ১৯(১)এর ৯ (খ)/২৫ ধারায়ও মামলা হয়েছে। সে একজন মাদক ব্যবসায়ী ও সেবনকারী। এর পূর্বে তার বিরুদ্ধে মাদক এবং ধর্ষণসহ একাধিক গুরুতর অপরাধের অভিযোগ রয়েছে। ২০১৬ সালে রাজধানী ঢাকার কাফরুল থানায় তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ সংশোধনী (০৩) এর ৯(০৪)(অ)৩০ ধারা এবং ৩২৩/৩৮০ পেনাল কোডে মামলা হয়েছে। তাহার এ সকল অপরাধ এর দোসর ও প্রশ্রয়দাতা হিসেবে তৎকালীন ফ্যাসীবাদ আওয়ামী সরকার একমাত্র দায়ী ছিলো বলে এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ী মহলের লোকজন দাবী করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, জাকির হোসেন মাদক ব্যবসায় জড়িত সে এলাকার একজন পরিচিত মাদক ব্যবসায়ী তার অপরাধমূলক কার্যক্রমের কারণে একাধিকবার সে পুলিশি তৎপরতার সম্মুখীন হয়েছে ।
এলাকাবাসী ও ব্যবসায়ী মহল দাবি করেন, প্রশাসন দ্রুত জাকির হোসেন শান্ত কে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় এনে এই এলাকার চাঁদাবাজি বন্ধ করার ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। তারা মনে করেন, জাকির হোসেনের মতো একজন অপরাধী এভাবে চাঁদাবাজি করে আসলে এলাকার আইনশৃঙ্খলা আরও বিপর্যস্ত হতে পারে, এবং সেজন্য তারা প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।
এ রিপোর্ট প্রকাশের পূর্বক্ষন পর্যন্ত জাকির হোসেন এর নামে দায়েরকৃত মামলার বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে কোন তর্থ্য, কাফরুল ও ভাষানটেক থানার কোন মতামত সংগ্রহ করা সম্ভব হয়নি। (চলমান)
Leave a Reply