1. info@www.parbotto.com : পার্বত্য : পার্বত্য পার্বত্য
শুক্রবার, ০৪ এপ্রিল ২০২৫, ০৪:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ:
পত্রিব ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বেলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) মো. মিজানুর রহমান।  পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (চেয়ারম্যান), জনাব, জিরুনা এিপুরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ এর সদস্য জনাব,  মনজিলা সুলতানা ঝুমা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (সদস্য) জনাব, প্রশান্ত কুমার এিপুরা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (সদস্য) জনাব, মো. সহিদুল ইসলাম সুমন। পার্বত্য দৈনিক এর সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আফছার হোসেন রনি (চেয়ারম্যান) দৈনিক পার্বত্য মাটিরাঙ্গায় সেই বিপুলের ঘুষ বাণিজ্য প্রশাসন নিরব? **খাগড়াছড়িতে ত্রিপুরা সনাতনী গীতা সংঘের কেন্দ্রীয় কমিটির কাউন্সিল -২০২৫ অনুষ্ঠিত** জুলাই শহীদ স্মৃতি ফাউন্ডেশনের পাশে দাঁড়িয়েছে চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা। মরণোত্তর স্বাধীনতা সম্মাননায় মনোনীত জহির রায়হান।
শিরোনাম:
পত্রিব ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বেলছড়ি ইউনিয়ন বিএনপির (যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক) মো. মিজানুর রহমান।  পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (চেয়ারম্যান), জনাব, জিরুনা এিপুরা পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ এর সদস্য জনাব,  মনজিলা সুলতানা ঝুমা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (সদস্য) জনাব, প্রশান্ত কুমার এিপুরা। পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন খাগড়াছড়ি জেলা পরিষদ (সদস্য) জনাব, মো. সহিদুল ইসলাম সুমন। পার্বত্য দৈনিক এর সকল শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিকদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আফছার হোসেন রনি (চেয়ারম্যান) দৈনিক পার্বত্য মাটিরাঙ্গায় সেই বিপুলের ঘুষ বাণিজ্য প্রশাসন নিরব? মাটিরাঙ্গা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান। গাজীপুর মহানগরীর পূবাইল ৩০ বোতল বিদেশী মদ সহ আটক ২ ফ্যাসিবাদী  আওয়ামী লীগের নেতা হিসেবে পরিচিত সেই জাকির হোসেন শান্তর বিরুদ্ধে কাফরুল ও ভাষানটেকে এলাকায় চাঁদাবাজির অভিযোগ।

মাটিরাঙ্গায় সেই বিপুলের ঘুষ বাণিজ্য প্রশাসন নিরব?

  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৬ মার্চ, ২০২৫
  • ২১ বার পড়া হয়েছে

নিজেস্ব প্রতিনিধি: খাগড়াছড়ি জেলার মাটিরাঙ্গা উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত হিসাব সহকারী বিপুল কান্তি মজুমদার উপরের দরবেশদের আর্শিবাদ পেয়ে ফ্যাসীস শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সরকার এর আমল থেকে বর্তমান সময় পর্যন্ত ৩ বছরের অধিক সময় পর্যন্ত বহাল তবিয়তে মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে নামজারী প্রকৃয়া, জমাবন্দি নকল তুলতে, অফিস স্ট্রাফ বদলীসহ সকল বিনা মূল্যে সরকারী সেবা গ্রহিতাদের নিকট থেকে হাজার হাজার টাকা ঘুষ বানিজ্য করে যাচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

তার কথা বা ইশারা ইঙ্গিতের বিরুদ্ধে কোন স্ট্রাফ মনের ভূলেও চললে তার আর রক্ষা নাই সাথে সাথে বদলী সুযোগ নেই কোন আপিল করার মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হইতে শুরু করে জেলা প্রশাসক কার্যলয় খাগড়াছড়ি  পর্যন্ত তার ইশারায় চলে তার প্রমান ও তিনি কয়েক দাপে দেখিয়ে দিয়েছেন।

এই বিপুল কান্তি মজুমদার এর রোষানল থেকে সাধারণ দলিল লেখক ও রেহায় পায়না, ভূমি অফিসকে দালালের অফিসে রুপান্তর করেছেন। নিবন্ধনকৃত দলিল লেখক যেন এ অফিসে ডুমুরের ফুল। নাম প্রকাশ অনিহা প্রকাশ জানিয়ে একজন নিবন্ধনকৃত দলিল লেখক বলেন, মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস কালের বিবর্তনে দালালের অফিসে রুপান্তর হয়েছে, এখানে নিবন্ধনকৃত দলিল লেখকের কোন প্রয়োজন পড়ে না, বাংলাদেশে একমাত্র ভূমি অফিস মাটিরাঙ্গা যেখানে মৃত মানুষও প্রয়োজনে জমি ক্রয় বিক্রয় করতে পারে এবং পার্বত্য বিধিমতে রেজিষ্ট্রেশনও দেয়।

অফিসের এ সুফল গুলে এমনি এমনি আসে নাই, এই অফিসে কখনও নিবন্ধনকৃত দলিল লেখকদের সঙ্গে সহকারী কমিশনার ভূমি মিটিং/ আলোচনা করেন নাই। দালালের লেখা কম্পিউটার টাইপের নামজারী বিপুল মজুমদারদের ছায়ায় রেজিষ্ট্রেশন পেয়েছে। অন্যদিকে র- এর নিছে পুটিলী না থাকলেও গুনে গুনে দিতে হয় হাজার হাজার টাকা না দিলে হয়রানীর আর শেষ নাই, হয়রানি শেষে দেখা যাবে পকেট থেকে ৫০,০০০০/- হাজার চলে গেছে, এসব কৌশলের মুল হোতা বিপুল মজুমদারেরা দিনে দিনে বনে যায় কোটি কোটি টাকার মালিক, বহাল তবিয়তেই নিজের বাসা বাড়ীর মত ব্যবহার করতে পারে অফিস, যেখানে শষ্যার মধ্যে ভূত সেখানে ভাল কিছু আসা করা যায় না।

 নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন দলিল লেখক বলেন, আমি গত কিছু দিন পূ্র্বে মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিসে কর্মরত এসিল্যান্ড জনাব, খাদিজা তাহিরার নিকট ক্রেতা বিক্রেতার অনুরোধে ৫১ ভুক্ত পরিবারের ২টি নামজারী মামলার শুনানীর জন্য অনুরোধ করিলে তিনি আমাকে প্রশ্ন ছুড়তে থাকেন আমি কি করি? আমি তাহাকে আমার পরিচয় দিই দলিল লেখক, এখানে আসলেন কেন? হতবাক আমি আমার কাজ কি জানতে খুব ইচ্ছা ছিল, সরকার আমাকে দলিল লেখক হিসেবে কেন নিয়োগ দিলেন, আরও হতবাক হলাম যখন দেখলাম তাহার সামনেই আমাদের কথপতনের সামনে নিবন্ধনবিহীন অনেক গুলি দালাল বেশ কিছু নামাজী মামলা নিয়ে কথা বলছেন, কথার ফাকে বুঝলাম বিপুল মজুমদার এর সাথে কথা বলার আদেশ হয়েছে, কথামতে শিরধার্য্য আদেশ প্রাপ্ত ব্যক্তি বের হয়ে গেল বিপুল বাবুর উদ্দেশ্য, কিন্তু বিপত্তি দেখাদেয় আমি কেন তাদের সঙ্গে তাহার (এসিল্যান্ড) নিকট গেলাম?

কর্মরত এসিল্যান্ড জনাব, খাদিজা তাহিরা মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) হিসেবে এ অফিসে যোগদান করেন ২৯/১২/২০২৪ ইং তারিখে তাহার যোগদান এর পর মাটিরাঙ্গা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস সাধারন জনসাধারনের নাগালের বাহিরে গেছে, ২ শতাদিক নামজারী মামলা দীর্ঘ সময় হইতে রুজুর অপেক্ষাধীন, কিছু নামজারী রুজু, শুনানী হইলেও অগ্রগামী নেই, তাহার যোগদান সময়ের পরর্বতী সময় হইতে এ পর্যন্ত অতিসামান্য কিছুই মামলা আলোর মুখ দেখতে পেয়েছে তাও বিপুল বাবুদের।

 মুক্তির ধূত হিসেবে বিপুল কান্তি মজুমদার হিসাব সহকারী (অলিখিত বড় বাবু) বিজয় চন্দ্র দাশ (সার্ভেয়ার) অর্পন চাকমা (ক্রেডিট চেকিং কাম সায়ারাত সহকারী) সবজয় এিপুরা (নাজির কাম কেশিয়ার) জীবন এিপুরা (চেইনম্যান) রঞ্জিত এিপুুরা (চেইনম্যান) দীর্ঘ বছর এ অফিসে কর্মরত আছে। তাদের কাছে ঘুষের বিকল্প আর কিছুই নেই, তাহাদের নিকট আইনকানুনের প্রয়োজন হয় না, জনমুখ হইতে প্রাপ্ত রিপোর্ট মতে গত কিছু দিন পূর্বে ১,৫০,০০০/- টাকার বিনিময়ে বিপুল ও অর্পন বাবুর যৌথ উদ্যোগে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মাটিরাঙ্গা জনাব, খাদিজা তাহিরা নামজারী মামলা নং ৬৩০/মাটি/২৪ মুলে নাম হস্তে শুনানী নোটিশ স্মারক নং ২৩, তাং ১৪/০১/২৫ ও ক্রেতা বিক্রেতা উপস্থিত শুনানি তাং ২৭/০১/২৫ ইং দেখাইয়া তরিঘরী করে রেজিষ্ট্রেশন প্রকৃয়া সম্পাদন করার জন্য জেলা প্রশাসক খাগড়াছড়ি রাজস্ব শাখায় স্মারক নং ৮৩, তারিখ ২৪/০২/২৫ ইং মুলে প্রেরণ করেন।

জানাযায়, এই নামজারী মামলার ক্রেতা মো. ফরিদ উদ্দিন, পিতা চান মিয়া, মাতা- জামিলা বেগম বর্তমান সময় পর্যন্ত প্রবাসে (সৌদি আরব) তিনি দীর্ঘ বছর যাবত প্রবাসে অবস্থান করছেন, ক্রয় বিক্রয়কৃত এ সম্পত্তি নিয়ে স্থানীয় সমস্যা বিদ্যমান আছে, ভুক্তভোগীর দেওয়া তর্থ্য মতে পার্বত্য বিধিমতে এ নামজারী মামলা অগ্রগামী বা রুজু কল্পনাতীত যে খানে ক্রেতার স্বাক্ষর জাল, ক্রেতার পক্ষে জমি ক্রয় বিক্রয় সংক্রান্ত পাওয়ার অব এটোনী নাই, দূতাবাসের কোন অনুমতি পএ গ্রহন করা হয় নাই। এ সকল কাজে জড়িত সকল কর্মকতা কর্মচারীর দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তি হওয়া উচিৎ বলে দাবী করেন। তিনি এই মামলা সংক্রান্ত অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানান।

অপ্রত্যাশিত হলেও সত্য বিপুল বাবু ও বিজয় বাবুদের বদলী হলেও সাময়িক, কিছু দিন পর আবার এ অফিসে মিলন ঘটে। তবে তাহাদের মতানৈক্যর বাহিরে বা মুসলিম কোন স্ট্রাফ ০২-১৫ মাসও এ অফিসে চাকুরী করতে পারে না। বিপুল বাবুর, ব্যাংক একাউন্ট হিসাব, দেশ- বিদেশে নিজ নাম ও পরিবারের সদস্যদের নামে অর্জিত সম্পদ সংক্রান্ত সংবাদ জানতে চোখ রাখুন Dainik Parbotto আপনার মতামত ও তর্থ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে ভূলবেন না!!! (চলমান)

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

সর্বশেষ খবর

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত দৈনিক পার্বত্য /// এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি
ওয়েবসাইট ডিজাইন প্রযুক্তি সহায়তায়: ইয়োলো হোস্ট